বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, নিরাপত্তা টিমের দায়িত্বে থাকা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) একে এম শামছুল ইসলাম, তিনি নিজে, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ অন্যান্য নেতারা বিমানবন্দরে গিয়ে প্রস্তুতি পর্যালোচনা করেছেন। সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বিমানবন্দরে তিনি (তারেক রহমান) অবতরণ করার পর গাড়িতে ওঠা এবং যে রাস্তা দিয়ে এভার কেয়ার হাসপাতালে (এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন খালেদা জিয়া) যাবেন, সেখান থেকে গুলশানের বাসায় আসা ও অন্যান্য যেসব অনুষ্ঠান করতে যাচ্ছে বিএনপি; সবগুলো আমরা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছি এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয়ন করতে গিয়েছিলাম। আর নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে আলাদাভাবে সরকারের সংশ্লিষ্টমহল এবং সব বিভাগীয় প্রধানের সঙ্গে আমাদের নিরাপত্তা টিমের প্রধান সমন্বয়ন করছেন। তারা বেশ কয়েকবার বৈঠক করেছেন। তিনি আরও বলেন, তারেক রহমানের স্বদেশে ফেরা নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে। এ উপলক্ষে জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা ২৪ ডিসেম্বর রাত বা ২৫ ডিসেম্বর সকালে ঢাকায় এসে নেতাকে স্বাগত জানাতে পারেন। তারেক রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন যেন বিগত ৫৫ বছরের ইতিহাসে যা কিছু দৃষ্টান্ত আছে, তাকে ছাড়িয়ে যায় এবং আগামী ৫৫ বছরের ইতিহাসে যেন এই রকম ঘটনা না হয়, সেই রকম স্মরণীয় করে রাখার জন্য সমস্ত আয়োজন হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন বিএনপির এই নেতা। তিনি আরও বলেন, আশা করি সারাদেশে মানুষ সেজন্য অপেক্ষা করছেন। সালাহউদ্দিন জানান, বিমানের সেই ফ্লাইট ২৫ তারিখ বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে ঢাকায় অবতরণ করবে।
